
আশ্রয়
দেবাশিস ভট্টাচার্য ক’দিন থেকে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশের ভাবগতি বোঝা মুশকিল। এই রোদ উঠে আবার হঠাৎ করে কালো মেঘ দল বেঁধে এসে চারপাশ ঘিরে

দেবাশিস ভট্টাচার্য ক’দিন থেকে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশের ভাবগতি বোঝা মুশকিল। এই রোদ উঠে আবার হঠাৎ করে কালো মেঘ দল বেঁধে এসে চারপাশ ঘিরে

তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী সামনের অজগরের মতো রাজপথটা ধরে পায়ে পায়ে এগিয়ে যাচ্ছিল একটার পর একটা মিছিল। মিছিলের হাজারো কণ্ঠে রাত্রির নিস্তব্দতা ভেঙে অনুরণিত হচ্ছিল, “আমার

আবদুল মোমেন মুকসুদপুর বাস স্টেশনে নেমে রিকশায় উঠলাম। রিকশায় চড়ে দুই তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর কটিয়াদি গ্রামে পৌঁছলাম। জনবহুল গ্রামটি পেছনে ফেলে হাঁটা

বিচিত্রা সেন ঘুম থেকে উঠে কিছুক্ষণ বসে থাকতে হয় মজনুকে। এসময় তার সাথে কেউ কথা বললে মেজাজটা খারাপ হয়ে যায় তার। এসময়টাতে কী ভাবে সে

সৈয়দ মনজুর কবির পায়ে হাঁটা পথ চলে গেছে সবুজ উঁচু বাঁধের পাশ ঘেষে। বাঁধের ওপাশে আরো অনেক বিস্তৃত সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে নর্থ সী’র বিশাল গর্জন।

বিপুল বড়ুয়া নিশুতি রাত। চারপাশ চুপচাপ নিস্তব্ধ। কোথাও কেউ জেগে নেই। সময়টা অনেকটা নিরাপদ ভেবে আলমিরা হতে স্টেনগানটা বের করে আলতো গায়ে হাত বুলোয় কায়সার।

মনি হায়দার চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে ব্যাপারটা শোনে মকবুল হোসেন। ভান্ডারিয়া এলাকাটা আধা শহর, আধা গ্রাম। মকবুল হোসেন ঢাকার একটি দৈনিকের মফস্বল সংবাদদাতা। স্থানীয়

অনুবাদ: লুনা রাহনুমা আভেরির সঙ্গে সেন্ট্রাল পার্কে হাঁটছিলাম। আভেরি নাইট, নিউ ইয়র্কের মস্ত চোর, দস্যু ও খুনী। “কিন্তু, প্রিয় আভেরি,” আমি বললাম, “ব্যাপারটি অবিশ্বাস্য শোনাচ্ছে।

অমল বড়ুয়া হলভর্তি মানুষ। লাইটের আলো ঝলমল করে ঘুরপাক খাচ্ছে মঞ্চে স্থাপিত বৃত্তবদ্ধ বলয়ের ওপর। আধো-আলো আঁধারির তারল্যে বিমিশ্রিত হয়ে সারিবাঁধা চেয়ারে বসে আছেন শ’

জাকিয়া শিমু রমজান আলী দু’হাঁটুর চিপায় মাথা গুঁজে উঠোনের এককোণে জলচৌকির ওপর বসে আছে। তাকে দেখতে বহুদিনধরে ভোগা, বিপর্যস্ত-সান্নিপাতিকরোগীর মতো লাগছে। নির্ঘুমচোখের চারিধারে শ্বেতভাল্লুকের চোখের

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি