
মানবিক ক্রন্দন
দেবাশিস ভট্টাচার্য: মেয়েটির… জন্মক্ষণেই অলৌকিক ব্যাপারটি ঘটলো, প্রসূতি সূতিকা ঘরে উত্তর দক্ষিণে শোয়া। তার পাশে তোয়ালে জড়ানো মেয়েটি। ঘরটা চৌকোণা। টালির ছাদ। তেমন কোন ফাঁক

দেবাশিস ভট্টাচার্য: মেয়েটির… জন্মক্ষণেই অলৌকিক ব্যাপারটি ঘটলো, প্রসূতি সূতিকা ঘরে উত্তর দক্ষিণে শোয়া। তার পাশে তোয়ালে জড়ানো মেয়েটি। ঘরটা চৌকোণা। টালির ছাদ। তেমন কোন ফাঁক

রোকন রেজা : আয়না ঠিকই টকে টকে থাকে। সময়মতো সুযোগটা লুফে নেয়। আজিমদ্দি কিছুই বুঝতে পারে না। আয়নার দৃঢ় বিশ্বাস আল্লাহ তাকে এবার ফেরাবে না।

গৌতম বিশ্বাস : বিয়ের মাস ছয়েক না পেরোতে স্বামী নটবর মারা যেতেই শ্বশুর নিতাই ম-ল পুষ্পকে বলেছিল,” আর কার জন্যি ইখানে পড়্যে থাকপা। তার চেইয়ে

জয়নুল টিটো : ধড়ফড় করে জেগে ওঠে বিছানায় বসে পড়লো রানু। বুকটা ধুক্ ধুক্ করছে। নাগরদোলায় উপর থেকে গোত্তা খেয়ে খেয়ে নিচে নামলে যেমন লাগে,

অরূপ পালিত : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আর অবিরাম ছুটে চলা জলধারাকে নিয়ে করলডেঙ্গা পাহাড়। এই পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকা কষ্ট আর ঝর্নার স্রোতধারাকে বহন

হানিফ ওয়াহিদ : আমার ঘরে একজন জাঁদরেল মহিলা বাস করেন। তার ভয়াবহ রকমের একটা গুন আছে। সেই গুনটা হচ্ছে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আমার ভুল ধরা। আমি

মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ : বাতাসের সাথে গোল্লাছুট খেলতে খেলতে ক্লান্ত মুকিত যখন বাড়ি পৌঁছুলো,তখন পশ্চিম আকাশটাকে শেষ বেলার রাঙা চেলি পড়া বধূর মতই লাগছিল। হামাগুড়ি দেয়া

কাজী লাবণ্য : ব্যাংকে কাজ ছিল। সাধারণ গৃহিণী। টাকা উত্তোলন বা জমা করা ছাড়া আর কী কাজ থাকে! সেটা সেরে একটা দোকান থেকে বাসার গৃহকর্মী

জয়নুল টিটো : প্লেয়ারে কথা কইছে রবীঠাকুর…সাগর সেনের ভেতর। আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন… দারুণ ছটফট করা রাত্তির এখন। একাকী। নির্জন

অরূপ পালিত কাল রাত থেকেই শরীরটা তেমন ভালো নেই। প্রতিদিন অফিস আর বাসা, এইটুকু করতে করতে দিন পার হয়ে যায়। সকাল থেকে অফিসে যাব কি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি