
বাবার কথা
সৌভিক চৌধুরী কথাসাহিত্যিক এবং সঙ্গীতজ্ঞ— দুটি পরিচয়ে দীপ্ত ছিলেন বাবা সুচরিত চৌধুরী। ১৯২৯ সালের ২১ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার অন্তর্গত কধুরখীল

সৌভিক চৌধুরী কথাসাহিত্যিক এবং সঙ্গীতজ্ঞ— দুটি পরিচয়ে দীপ্ত ছিলেন বাবা সুচরিত চৌধুরী। ১৯২৯ সালের ২১ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার অন্তর্গত কধুরখীল

হোসাইন আনোয়ার ১৯৭১ সাল ১৪ ডিসেম্বর দিয়েই শুরু করছি। ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে লে. জেনারেল নিয়াজী ফোনে রাওয়ালপি-িতে সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাধ্যক্ষ জেনারেল আবদুল হামিদকে

মূল : হারুকি মুরাকামির ভাষান্তর : জ্যোতির্ময় নন্দী [প্রখ্যাত জাপানি লেখক হারুকি মুরাকামি (জন্ম: ১২ জানুয়ারি, ১৯৪৯)’র পরিচয় বিশ্ব সাহিত্যের পাঠকদের নতুন করে দেয়ার

অমল বড়ুয়া প্রবাদ প্রতিটি ভাষার অমূল্য সম্পদ। বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি তথা সামগ্রিক জীবনাচরণে প্রবাদ সমৃদ্ধ একটি ধারা হিসেবে বিবেচিত। প্রবাদের মাধ্যমে বাঙালির জীবন,

ড. মহীবুল আজিজ ১২৪. পাইক আইয়ক্ প্যাদা আইয়ক্ আমি কিছু না, ভেট আইয়ক্ বেগার আইয়ক্ আমি জমিদারের্ মা। “If paik or Pyada come (to

মোহীত উল আলম ইংরেজ রবীন্দ্র—গবেষক ও অনুবাদক উইলিয়াম রাদিচে কালধারা সাহিত্য—পত্রিকার সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন , রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার পাওয়াটা ঠিক আছে, কিন্তু তিনি

মহীবুল আজিজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এক অনন্য সাধক উইলিয়াম রাদিচে’র নাম তাঁর বাঙালিত্বের সাধনার জন্য সমগ্র পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। তাঁর অনূদিত রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প

আসহাবে কাহাফ আমাদের প্রজ্ঞা ও সাধনার যথেষ্ট ঘাটতি আছে, এ ঘাটতি থেকেই আমাদের সভ্য সমাজের প্রতিটি মানুষের অন্তরে প্রবেশ করেছে, পরশ্রীকাতরতা ও হীনমন্যতার! যার

নাজমুল টিটো # বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক ড. সুখেন্দু সুন্দর গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে “ ‘পরিশেষ’ কাব্যগ্রন্থে পূর্ববর্তী কাব্যধারার পরিসমাপ্তি ঘোষণা করে কবি ‘পুনশ্চ’ (১৯৩২) দিয়ে আবার

মোস্তফা হায়দার ‘আয় রে আমার শেফালী ফুল বকুল লতা কনকচাঁপা আয় রে আমার শুয়োর ছানা হারামজাদা’ কবিতার মতো সত্য আর সত্যের মতো কবিতা লেখার

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি