
সুচক্রদন্ডী থেকে কলকাতা : সাহিত্যবিশারদ
হামীম রায়হান অবিভক্ত বাংলার রাজধানী হিসেবে কলকাতা তখন শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতায় বাংলার অন্যান্য অঞ্চল থেকে বেশ এগিয়ে। বড় বড় সাহিত্যিকদের পদচারণায় মুখরিত তৎকালীন বাংলার

হামীম রায়হান অবিভক্ত বাংলার রাজধানী হিসেবে কলকাতা তখন শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতায় বাংলার অন্যান্য অঞ্চল থেকে বেশ এগিয়ে। বড় বড় সাহিত্যিকদের পদচারণায় মুখরিত তৎকালীন বাংলার

নাজমুল টিটো : রবীন্দ্রনাথের বাঁশি (১৭১) “কহিলাম, ‘ওগো রানী, সাগরপারের নিকুঞ্জ হতে এনেছি বাঁশরিখানি। উতারো ঘোমটা তব, বারেক তোমার কালো নয়নের আলোখানি দেখে

অমল বড়ুয়া রাষ্ট্রহীন মানুষ প্রথমে সংগ্রাম করেছিল খাদ্য-সংগ্রহ ও হিং¯্র জীবজন্তু আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে আত্মরক্ষার্থে। কারণ, তখনও মানবজীবন ছিল অসহায় ও দীনহীন। আর দশলক্ষ

আলমগীর মোহাম্মদ বিশ্বসাহিত্যে কাফকা একজনই। বিচ্ছিন্নতবোধ, হতাশাগ্রস্ততা ও শেকড়হীনতার প্রকৃত রূপ যদি আপনি সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে খুঁজে পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার কাফকা পড়া

ড. আহমেদ মাওলা ‘বাংলাদেশের সাহিত্য’ কথাটি আগে পরিষ্কার করে নিতে চাই। সাতচল্লিশে দেশভাগের পর বায়ান্ন’র ঘটনাবহুল সময়ের পটভূমি এবং একাত্তরে স্বাধীনতা অর্জনের পর অর্ধশত

ড. মহীবুল আজিজ ৭১. বেডারে মারি বের্ডি রাগ। “The woman beat the man, but it was she who was angry.” i.e., adding insult to

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বাঙালি চিরকালই বিদ্রোহী। ইতিহাসের কোনো পর্বে সে কোনো পরাধীনতাকে বেশি দিন মেনে নেয়নি। উপমহাদেশের ক্ষমতার কেন্দ্র দিল্লি থেকে দূরে হওয়ায় এবং সাড়ে

তসলিমা নাসরিন এমনি বরষা ছিল সেদিন, মেনেছি গো হার মেনেছি , ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে তোমারে করেছে রানী, তুমি কি এখন দেখিছো স্বপন, এই

নাজমুল টিটো (১২৯) “হৃদয় আমার প্রকাশ হল অনন্ত আকাশে। বেদন—বাঁশি উঠল বেজে বাতাসে বাতাসে।” [গীতালি—১৯] (১৩০) “ মাটির ‘পরে আঁচল পাতি’ একলা কাটে

জ্যোতির্ময় নন্দী বিশ্ববিশ্রুত আলবেনীয় ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার ইসমাইল কাদারে চলতি বছরের জুলাই মাসের পয়লা তারিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। একনায়কতন্ত্রের বিরোধিতা করার দুঃসাহস

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি