
বিবিধ অনুষঙ্গে শিক্ষা ও সমাজ
স্বপন মাহমুদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম ব্যাচ-এর জনৈক বন্ধুর একটি পোস্ট আমার আজকের ভাবনার উৎস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষকতাকে শ্রেষ্ঠ পেশা-হিসেবে উল্লেখ করে দেয়া এই পোস্ট

স্বপন মাহমুদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম ব্যাচ-এর জনৈক বন্ধুর একটি পোস্ট আমার আজকের ভাবনার উৎস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষকতাকে শ্রেষ্ঠ পেশা-হিসেবে উল্লেখ করে দেয়া এই পোস্ট

শাহানারা স্বপ্না বলা হয়ে থাকে এককালে আমাদের এ দেশ ছিল ‘সোনার বাংলা’। ইতিহাসে আছে কি তার সোনালি প্রতিচ্ছবি? ইতিহাস মুছে ফেলে না কোন কিছুই। সেলুলয়েডের

মাহবুবা চৌধুরী শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে মালিক ও শ্রমিকের মধ্যকার ন্যায় ও নীতিগত সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ও শ্রমিকদের প্রতি আর্থিক ও মানবিক অবিচার প্রতিরোধ, আট

ড. আহমেদ মাওলা বাংলা কবিতার পাঠক মাত্রেই জানেন,রবীন্দ্রনাথের নিস্তরঙ্গ কাব্যপ্রবাহ, তিরিশি কবিদের নিষ্প্রভ,অলস শব্দগুচ্ছের বিপরীতে নজরুলের ‘বিদ্রোহী’কে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ কবিতা বলা যায়। সচকিত ভাষাভঙ্গি,সরাট কণ্ঠস্বর

হামিদ রায়হান বিপ্লবের মৃত্যু নেই যারা ভাবেন, নিঃসন্দেহে তারা ইউটোপিয়া জগতে বাস করেন। যেমনটা আমরা ভাবি, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র মানুষের মৌলিকাধিকার। রাষ্ট্র সেই অধিকার নিশ্চিত

নাজমুল টিটো রবীন্দ্রনাথের বাঁশি অন্তঃপুরের কোণের ঘরে বসে স্লেটের উপর লেখা “গহনকুসমকুঞ্জমাঝে মৃদুল মধুর বংশি বাজে।” এ দুটি পঙ্ক্তির মধ্যে যে বাঁশি কবি গুরু

এস ডি সুব্রত চৈত্র সংক্রান্তির পরের পয়লা বৈশাখ থেকে বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে নতুন বছর শুরু হয়। বাংলার ব্যবসায়ীরা নববর্ষের প্রথম দিনটাকে হালখাতা হিসেবেও পালন করে

আলম খোরশেদ ই তো গেলমাসেই অতিক্রান্ত হল বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির জীবন্ত কিংবদন্তি, শ্রী পবিত্র সরকারের পবিত্র জন্মতিথি। এই দীর্ঘ জীবনে কী বিচিত্র অভিজ্ঞতার

অজয় দাশগুপ্ত রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি। এর মানে কি আসলে? সাধারণ দৃষ্টিতে মনে হতে পারে এ আর এমন কি

মোহীত উল আলম মান্না দে’র একটি বিখ্যাত গান গেছে এভাবে, “কাগজে লিখ নাম, সে নাম মুছে যাবে, হৃদয়ে লিখ নাম, সে নাম রয়ে যাবে।” গানটির

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি