
পঁচাত্তরপরবর্তী প্রতিবাদী ইতিহাসের মূল্যবান কয়েকটি দলিল
মিনার মনসুর : বাঙালির ইতিহাসের ঘৃণ্যতম ও বর্বরোচিত সেই হত্যাযজ্ঞের পর সাড়ে চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলেছে। অনিঃশেষ অন্ধকারের মহাসমুদ্র পাড়ি দিয়ে আমরা উপনীত হয়েছি

মিনার মনসুর : বাঙালির ইতিহাসের ঘৃণ্যতম ও বর্বরোচিত সেই হত্যাযজ্ঞের পর সাড়ে চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলেছে। অনিঃশেষ অন্ধকারের মহাসমুদ্র পাড়ি দিয়ে আমরা উপনীত হয়েছি

ড. ইসরাইল খান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রকাশিত বাংলাদেশ মহিলা অওয়ামী লীগের একক প্রচেষ্টায় প্রকাশিত ঐতিহাসিক শ্রদ্ধার্ঘ্য ‘স্মরণের সাঁকো’ ছিল বঙ্গবন্ধু-হত্যার

আলম খোরশেদ: না, নিবন্ধের শিরোনামে উদ্ধৃত পঙ্ক্তিটি কোনো রণসজ্জা কিংবা যুদ্ধযাত্রার আহবান নয়। অবহিতজনেরা জানেন, এটি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের লেখা একটি গানের প্রথম চরণ, যেটি তিনি

শেখ হাসিনা : তখনো ভোরের আলো ফোটেনি। দূরের মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে। এমন সময় প্রচন্ড গোলাগুলির আওয়াজ। এই গোলাগুলির আওয়াজ ঢাকার ধানমন্ডির ৩২

অজয় দাশগুপ্ত বাংলাদেশে এমন ও একজন নেতা ছিলেন যিনি দেন দরবার ছাড়াই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছিলেন সমাধিক পরিচিত। ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর তাদের প্রচ্ছদ কাহিনিতে তাজউদ্দীন

আবু তৈয়ব: তথ্য ও অর্থের আদান প্রদানের গতি সর্বোচ্চ ও সহজলভ্য করে মানুষের জীবনমান আরও উন্নত ও স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য

রহিম উদ্দিন : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ছড়া কিংবা পদ্যই যা বলি-না কেন, এটাই সাহিত্যের সবচেয়ে পুরনো শাখা! লেখ্যরূপে সাহিত্যের আবির্ভাব হবার আগে থেকেই কথ্যরূপে

শাকিল আহমদ : এক. মমতাজ ভাই প্রয়াত এবং তাঁর স্মরণে এতো সহসাই লিখতে হবে; এমনটি ভাবতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। তবে আমার ব্যক্তি কষ্টের চাইতেও ক্ষতিটা

অমল বড়ুয়া : যাত্রা হচ্ছে প্রাচীন লোকসাহিত্যের একটি ক্রমবিবর্তিত রূপ। যাত্রা একটি জনপ্রিয় লোকনাট্য ধারা। অতি নাটকীয় ভাবভঙ্গি ও আবৃত্তির মাধ্যমে প্রায়ই যাত্রার উপস্থাপনা করা

রুদ্র সুশান্ত: নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর মতো কবি শতকে বোধহয় একজনই জন্মান। তিনি কবিতাকে ভালোবাসতে শিখিয়েছিলেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘শুধু কবিতার জন্য আরও দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি