
রূপক বরন বড়ুয়া’র লিমেরিক
দ্রোহ ১. এক চাষা করেছিলো আশা ছাগলে দেখে লোভ তার খাসা কী চায় কী খায় সব গাছ কই যায় জমিনে দেখে কীর্তিনাশা।

দ্রোহ ১. এক চাষা করেছিলো আশা ছাগলে দেখে লোভ তার খাসা কী চায় কী খায় সব গাছ কই যায় জমিনে দেখে কীর্তিনাশা।

বাঙলায়ন : শফিউল আজম মাহফুজ এলা হুইলার উইলকক্স (১৮৫০-১৯১৯) নিছক একজন কবি ছিলেন না, ছিলেন এক সময়ের প্রতিনিধি, যে সময় আমেরিকান সাহিত্যে ব্যক্তিগত অনুভূতি

সাম্য রাইয়ান পরাবাস্তব বা সুররিয়ালিস্টিক ঘরানার ছবি আঁকার যে খেলা সালভাদর দালির ক্যানভাসে আমরা গলিত ঘড়ির অবয়বে দেখেছিলাম, সেই অবয়বই কবিতায় আনবার প্রয়াস পেয়েছেন

তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী বর্ষার ঝর ঝর — অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি। টিনের চালে, গাছের ডালে ঝম্ ঝমা ঝ্ম — টুপটাপ বৃষ্টি। এ বৃষ্টির জলধারা

প্রবীর বিকাশ সরকার “১৯৬৮ সালটি জাপানের ইতিহাসে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন জাপানের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক কাওয়াবাতা ইয়াসুনারি (১৮৯৯-১৯৭২)। প্রাচ্যে রবীন্দ্রনাথের পরেই

মহীবুল আজিজ আইজাক সিঙ্গার তাঁর একমাত্র সন্তান তাঁর ছেলে এবং স্ত্রীকে রেখে পোল্যান্ডের ওয়ারশ ছেড়ে আমেরিকা চলে যান ১৯৩৫ সালে। ছেলের তখন পাঁচ বছর বয়স।

আনোয়ার মল্লিক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পূর্ববঙ্গের শিলাইদহে এসেছিলেন জমিদার হিসেবে। শুধু শিলাইদহ নয়, নওগাঁ জেলার পতিসর এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ঠাকুর পরিবারের আরও দুটি জমিদারি ছিল।

আলম খোরশেদ বাংলা ভাষায় ‘রাবীন্দ্রিক’ এবং তার বিপরীতে ‘অরাবীন্দ্রিক’ শব্দদুটোর বহুল প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। এতটাই যে, এই ‘রাবীন্দ্রিক’ শব্দটির একটি সংজ্ঞার্থই প্রায় দাঁড়িয়ে গেছে।

মোহাম্মদ হাসান “কিছু শোক ব্যক্তির নয়, সমগ্র জাতির। কিছু অশ্রু চোখে ঝরে না, ইতিহাসের পাতায় শুকিয়ে থাকে শতাব্দীর পর শতাব্দী। আগস্ট সেই অশ্রুরই আরেক নাম।”


ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো