
পদাবলি- অক্টোবর ২০২৪ সংখ্যা
বাঁশের কেল্লায় জ্বলে ধ্রুবতারা হাফিজ রশিদ খান তিতুমির ছিলেন মানববোমা উপনিবেশিকতাকে করেননি ক্ষমা তাঁর রক্ত প্রগাঢ় স্বদেশভক্ত বাঁশের কেল্লায় গেঁথেছিলেন মুক্তির ধ্রুবতারা

বাঁশের কেল্লায় জ্বলে ধ্রুবতারা হাফিজ রশিদ খান তিতুমির ছিলেন মানববোমা উপনিবেশিকতাকে করেননি ক্ষমা তাঁর রক্ত প্রগাঢ় স্বদেশভক্ত বাঁশের কেল্লায় গেঁথেছিলেন মুক্তির ধ্রুবতারা

অভ্যুত্থান কালে আমার মা—ভক্ত ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত কী দেখে কী খেলে কিছু তার জানার নেই আমার স্মার্ট যুগ স্মার্ট পোলা আয়ুবুড়ো আমরা সেকেলে

ঘাটতি ছিল সনতোষ বড়ুয়া বুঝতে পারার ঘাটতি ছিল সুইচ ছিল না অন, উন্নয়নের চাইতে ভাল দেশের সুশাসন। কর্মচারী কর্তারা সব তাল দিয়েছে যত,

১. হয়তো অধিক কঠিন ছিলো স্বপন তরী বাওয়া কিংবা অধিক আপন সুরে নতুন গান গাওয়া ছিলো না তো অনুকূলে অচিন বৈরী হাওয়া সবার ওপর তুমি

সাঈদ, তোমায় স্যালুট আমিনুল ইসলাম বিদেশ চালায় প্রেমের গুলি ফেলানী হয় লাশ নিজ উঠোনে রাজার গুলি সাঈদ হারায় শ্বাস। সাঈদ কিন্তু লুটেরা নয় নয়

বেদনা পাখি তুমিইতো শুধু জানো পাখি হয়ে আমি আকাশে উড়ে বেড়াই, উড়তে উড়তে মেঘের কষ্টগুলো শুধু আমার পাখায় জড়াই। তুমি যখন তোমার

আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য ১. দূরের মানুষ কাছে এসে দূরের খবর কও বুকের মধ্যে বসে বলো কাছের মানুষ নও খুব নিবিড়ে ঠোঁট ঠুকে কও

কড়অর তলে ঢোলর বারি উৎপলকান্তি বড়ুয়া কঅন্ খেয়ালত্ কঅরে কতা কঅন্ খেয়ালত্ চলঅ, বুঝিত্ পারে পেন্ডা পোয়া উলঅমস্ত পল্—অ! মুখর হাসি মিয়াই দিলা মিডা

দ্রোহের আগুনে পুড়ে রূপক বরন বড়ুয়া আমার ডান হাতে সূর্য বাম হাতে চন্দ্র বুকে আগ্নেয়গিরি দুচোখে ধেয়ে আসে কেবল অন্ধকার। আমি আলোক চেয়েছি কারা

কাঁচা সোনার ফসল ফসলের ঠাঁসা জমি- লুকানো চাষার ডাল পালা। এই শীতে ফল দেবে- বরষার জলে ভরা মাঠ ফসলের হাসি ডুবে আছে অন্ধকার

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি