এখন সময়:দুপুর ১২:২৩- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:দুপুর ১২:২৩- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

Category: কবিতা

আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য

১. আসবে কি না আসবে ছিলে সংশয়ে আগন্তুকের ডাকে, অচেনা এক নীড়ে এখন প্রেমের অভিষেক দেখো বিস্ময়ে বলছো-‘আর কখনো যাবে না ফিরে’   ২. আমি

পদাবলি (মার্চ ২০২৪)

বধ্যভূমি মিনার মনসুর    ১. পেছনে মাথার খুলি সারি সারি; রক্ত-কুয়াশায় ডুবে আছে পৃথিবীর পথ; পদতলে কঙ্কালের পাশা খেলা তবু থামবার সাধ্য নেই; ফুরসত নেই দম

ছড়া : ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সংখ্যা

চিঠি সন্তোষ কুমার শীল   বৃষ্টি ভেজা আঁধার রাতে লিখছি তোমায় চিঠি আলোর পাখি জোনাকিরা তাকায় মিটিমিটি চিঠি পেয়ে ভালোবাসায় সিক্ত হবে তুমি অঝোর ধারায়

পদাবলি : ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সংখ্যা

অনুভবে ত্রি-মাত্রিক ছায়াদৃশ্য সাথী দাশ   এক. বিস্তৃীর্ণ মাঠ পেরিয়ে দিগন্তরেখা, ওখানে দু’চোখ রেখে দেখাম লাল সূর্যের লাফিয়ে ওঠা। অদ্ভুত শিহরণ এক, চোখে-শরীরে; নতুন করে

আলী তারেক পারভেজ-এর অনুকাব্য

এক।   অমন অনলেও পারলে না পোড়াতে। দগ্ধ মন কি আর পোড়ে? ছাই হয়ে আছে বেঘোরে, তুমি ব্যস্ত সেসব দু’হাতে ওড়াতে। ‘      

হাসনাত আবদুল হাই

হাসনাত আবদুল হাই : ভাষান্তর   When you are old – W.B.Yeats When you are old and grey and full of sleep And nodding by

সমকালীন ছড়া

মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্   ১. তিল তিল তিলটা, সিল মেরে পাশ তাই কায়েমীর বিলটা। শনশন শংকা, সিন্ডিকেটে লোটে পেঁয়াজ,আলু,লঙ্কা।   ২. আমি,তুমি ডামি যে, হাতে পায়ে

কাকতাড়ুয়ার মিছিল

স্বপন কুমার রায়   কাকতাড়–য়ারা বলে থাকবে না দাঁড়িয়ে হাতদুটো ব্যাথা করে দাও কেউ নাড়িয়ে।   ঠাঠা রোদে মাথা ফাটে জ্বলে যাই গরমে মাথায় পাখির

আপনি জনাব

অরুণ শীল   আপনি জনাব ধুরন্ধর! এর সাথে ওর লাগিয়ে দিয়ে ফায়দা লুটেন কী সুন্দর! আপনি জনাব ধুরন্ধর।   আপনি জনাব ক্ষুরধার পুঁজি ছাড়া সওদাগরির

হালের ছড়া কালের ছড়া

সনতোষ বড়ুয়া   এক.   দিন চলছে দিনের মত আর কী দেখার বাকি? ঢাকার মাইকে গলা ফাটায় মান্না, নূরু, সাকি।   দুই.   যেমন থাকে

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি