
পদাবলি (জানুয়ারি ২০২৪)
গৃহদাহ,ধর্ম ও প্রেম দিলারা হাফিজ সৌম্য জলে ভেসে যায় তনুমন, আঁখির তিয়াস শরৎ সাগরে কাঁদে বহু জনমের অভিলাষ! দেহ ও মনের ভারসাম্যে হাঁটে

গৃহদাহ,ধর্ম ও প্রেম দিলারা হাফিজ সৌম্য জলে ভেসে যায় তনুমন, আঁখির তিয়াস শরৎ সাগরে কাঁদে বহু জনমের অভিলাষ! দেহ ও মনের ভারসাম্যে হাঁটে

বিনয়ী চিত্রভাষা বলার জন্যে যে মাধ্যমের প্রয়োজন হয়- তাকে শুধু ভাষা বলেই আখ্যা দেয়া যায় না। নির্বাক তাকিয়ে থেকে, কিছু উচ্চারণ না করেও অনেক

এক. কতোনা খেলাকরো মেঘের পাড়াতে বৃষ্টির হাত ধরে নামবে ধরাতে ভিজবো অহরহ মায়াবী এ রাতে ভালোবাসা জেগেছে মুষল ধারাতে দুই. তোমার কপাট আমার লাগি

ভাষান্তর : জয়দেব কর সাক্ষ্য এই অদ্ভুত শহরে শুধু নারীরাই সাক্ষ্য দেয় একজন জানায় হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাটির কথা বেসমেন্টের মধ্যে নির্যাতিত মানুষের কথা জানায়

ভাষান্তর : শফিউল আজম মাহফুজ নববর্ষের কবিতায় কিবা বলা যায় আর যা হয়নি বলা শত সহস্রবার নতুন বছর আসে, পুরানো বছর পিছু হটে জানি মোরা

পলাতক অসীম সাহা দূরে বাতাসের কানে কানে কথা বলে অশ্বারোহীদল। জ্যোৎস্নার ছায়ায় কাঁপতে থাকে পুকুরপাড়ের ভীরু গাছগুলি। অন্ধকারে বিদায়ের প্রস্তুতিতে বিষণœ কারো মুখে কোনো

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল ১. সবাই যখন ঘরে ফিরে, আমরা কয়েক জন উল্টো দিকে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ি অন্ধকারে। আবার সকালে সবাই ১০টা-৫টার জন্য বেরিয়ে

নিখোঁজ ডায়রী- নিজেকে অনেক কিছুই ভাবি এই ধরো মানুষ, নদী, পাহাড় কিংবা পাথর ধরো ব্যথা, সংসার কিংবা তুমি বুকের পাঁজরে এসে ভেঙ্গে যায়

সনতোষ বড়ুয়া : চার হামলা মানে হামলা প্রতিরোধও হামলা, পালেস্টাইন আর ইসরাইলকে এখন দেখি সামলা। মৃত্যু মানে মৃত্যু স্বজন হত্যা কষ্ট, যুদ্ধ মানে

আমার কবিতা (গাজা‘র নির্ভীক শিশুদের–কে) শ.ম.বখতিয়ার আমার কবিতা হাওয়ায় উড়িয়ে দেবো নির্দ্বিধায়, বৃক্ষের শাখায় ঝুলে থাকবে সবুজ পাতা হয়ে স্নিগ্ধ ছায়া দেবে রুদ্র

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি