
শামীম নওরোজের কবিতা
পাঁচ. ঝিনুকের জলাশয়ে আমার আবাস মিয়ার দালানে মিয়া-মহাজন নেই ঝিনুক। ঝিনেদা। পায়রা চত্বরে দেখি কতিপয় ভিক্ষুকের দুঃখপ্রাপ্ত মুখ। দুদ্দু শাহ। পাঞ্জু শাহ। লালনের গ্রাম

পাঁচ. ঝিনুকের জলাশয়ে আমার আবাস মিয়ার দালানে মিয়া-মহাজন নেই ঝিনুক। ঝিনেদা। পায়রা চত্বরে দেখি কতিপয় ভিক্ষুকের দুঃখপ্রাপ্ত মুখ। দুদ্দু শাহ। পাঞ্জু শাহ। লালনের গ্রাম

ব্যাগ ভর্তি সংকট নিয়ে ঘুরে বেড়াই ধোঁয়া ওঠা কাপে চুমুকের ফাঁকে জীবন্ত হয় রাজনীতি ওমুক স্বৈরাচার তমুক রাজাকার আলোচনায় বাদ যায় না হাওয়া ভবন

ধাত্রি ধাত্রি-মা বেশি চালাক হলে সুস্থ বাচ্চাজন্ম সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে একটি সুস্থ জলাশয় আর একটি সুস্থ মা, দুটোই পৃথিবীর জন্য বয়ে আনতে পারে কমলাগন্ধা ভবিষ্যৎ।

এক. অক্টোপাসের অষ্ট বেড়ি ঘুমিয়ে থাকো রাত বাহিরে তখন প্রবল আলো হৃদয়ে সম্পাত দুই. আসবে কি না আসবে ছিলে সংশয়ে আগন্তুকের ডাকে, অচেনা এক

খুকুমণি আছিয়ার লাশ আসাদ মান্নান লক্ষ্মণ মোটেই ভালো নয়– চারিদিকে শুধু ভয় আর ঘনঘোর আতঙ্কের বিভৎসিত ছায়া ; অবাক হবার মতো তেমন কিছুই

সোনালু ফুলের রেণু এক. সংবাদটি পৌঁছে দিয়ো বাসর রাতের অন্ধকার আলোর অধিক নক্ষত্র এখানে একা নয় তার সঙ্গে ছায়াপথও আছে মায়াবতী, কোথাও

সবুজ কুঁড়িতে রক্তের ডাক রূপক বরন বড়ুয়া এক পা এগুলে দু’ পা আসি পিছিয়ে দূর্বার ডগায় শিমুল কৃষ্ণচুড়ায় রক্তের ডাক বর্ণমালারা জেগে ওঠে হেঁটে

ফেরা নিজের ফিরে আসার দিকে তাকিয়ে আছি একটা আকাশ একটা পথ আর একটা পা পরষ্পরকে জড়িয়ে ধরে পড়ে আছে গুহায় ধূলি ওড়া একটা

লোকটা দাঁড়িয়েছিলো লোকটা দাঁড়িয়েছিলো সবার সাথে যাঁর যাবার কথা ছিলো আগুনে কিংবা সমুদ্রে। লোকটা তারুণ্যের স্পর্ধায় পথরোধ করে আমাদের জ্বলতে ও জ্বালাতে বলেছিলো

শ্লীলতার লেবেনচুষ অকস্মাৎ ঘূর্ণিবাত্যা ঝড়ে, চতুষ্পাটি তছনছ – নির্মাণের খুঁটি যায় ধসে, খুটিনাটি তাণ্ডব-উৎসব । কম্পমান লোকালয় দাউ দাউ। জান্তব দাহন, বজ্রাঘাত, রাক্ষুসী

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি