
হিসনা ও দেবী
আজমীরা শ্যামা অস্পষ্ট কোন শব্দে হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। স্বপ্নাবিষ্ট হয়ে দরজা খুলে বারান্দায় চলে গেলাম। বারান্দার নীচ দিয়ে বয়ে গেছে হিসনা নদী। যার

আজমীরা শ্যামা অস্পষ্ট কোন শব্দে হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। স্বপ্নাবিষ্ট হয়ে দরজা খুলে বারান্দায় চলে গেলাম। বারান্দার নীচ দিয়ে বয়ে গেছে হিসনা নদী। যার

ফরিদ মাহমুদ এক] বিকেলের দিকে সুকুমারের চোখটা লেগে এসেছিল, কথাগুলো তার কানে লাগলো। একজন বলল, লোকটার কেউ নেই? সবসময় দেখি সিঁড়ির নিচে অন্ধকারে শুয়ে থাকে।

দীলতাজ রহমান ঘুমের ভেতর ফোন বেজে ওঠায় ধড়ফড় করা বুকে কলটা রিসিভ করলেন পঞ্চাশ ছোঁয়া তাবাচ্ছুম| তিনি ভাবেন, দুঃসংবাদ ছাড়া সুসংবাদ কেউ তাদের এই

ইমদাদুল হক সূফী ভূমিকা মানুষের সভ্যতার ইতিহাস যতটা ভাষা ও লেখার, ঠিক ততটাই রঙ ও রেখার। মানুষ কথা বলতে শেখার বহু আগেই ছবি এঁকেছে।

মাসুদ আনোয়ার একে একে মুসল্লিরা বেরিয়ে আসছে মসজিদ থেকে। আমি দাঁড়িয়ে আছি স্থানুর মতো। প্রত্যেক মুসল্লির মুখের দিকে তীক্ষ্ম নজর বুলাচ্ছি। কাপ্তাই বড় মসজিদের ইমাম

রতন ভট্টাচার্য চট্টগ্রাম শহরে হুলস্থূল পড়ে গেছে। এক গ্রাম্য ছেলেটি, যাকে চেনে না শহরে কেউই, কুমিল্লা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে। তখন

দিলীপ কির্ত্তুনিয়া ওর জেঠুর সাথে মেঘনীলের সম্পর্কটা অসাধারণ। এই ধরনের আত্মীক সম্পর্ক সাধারণত চোখে পড়ে না। নিজের বাবা-মায়ের সাথে যতটা না — তার চেয়ে অনেক

সুজন বড়ুয়া আকমল হোসেন বেলকনিতে ইজি চেয়ারে বসে আছেন। সত্তর-ঊর্ধ্ব বয়স তার। বাড়িতে শুয়ে-বসে সময় কাটে এখন। একসময় দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন; ছিলেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সম্মুখ

রফিকুর রশীদ অফিসে বেরোনোর সময় হাতের কাছে সবকিছু ঠিকঠাক না পেলে কার মেজাজ খারাপ না হয়! আলনায় জামা-পাজামা ঠিকই সাজানো আছে, কিন্তু গেঞ্জিটা কোথায়? দেয়ালঘড়িতে

অনুবাদ: জ্যোতির্ময় নন্দী [উসমান সেম্বেন (১৯২৩-২০০৭) একজন সেনেগালী চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা এবং লেখক। ফরাসি কায়দায় তাঁকে সেম্বেন উসমানও বলা হয়ে থাকে,

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো