
নীরার তিনটি অনুগল্প
কুমার প্রীতীশ বল রূপসাগরে ডুব এক-সন্ধ্যায় রবীন্দ্র সরোবরে সুনীল কফি খাচ্ছিল। সামনে এক বোতল ঠান্ডা পানি। একটা মেয়ে এসে একটুকু ঠান্ডা পানি চাইল। মেয়েটি

কুমার প্রীতীশ বল রূপসাগরে ডুব এক-সন্ধ্যায় রবীন্দ্র সরোবরে সুনীল কফি খাচ্ছিল। সামনে এক বোতল ঠান্ডা পানি। একটা মেয়ে এসে একটুকু ঠান্ডা পানি চাইল। মেয়েটি

রোকন রেজা বিয়েটা হয়ে গেল। ভাইদের কাঁধ থেকে বোঝা নামল। ছেলের বাপের পাঁচ বিঘা মাঠান জমি আছে। একটা মাঝারি গোছের আমবাগান আছে। বাড়ির সাথে

নাহার তৃণা খেলা এ গাছ-ও গাছ ওড়াউড়ি শেষে সবেমাত্র ফড়িংটা ঘনসবুজ একটা ডালে বসেছে। সে তো আর জানতো না, এতক্ষণ কেউ তার মুক্ত চলাচল একমনে

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি

পিন্টু রহমান কোলাহল থেমে গেলে অজ্ঞাত স্থান হতে উত্থিত হয় মিহিসুরের কান্না। কান্নার উৎসভূমি অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সম্মুখে তাকালে প্রত্যক্ষ হয়- বাতাসের শরীরে আবিরের গুড়ো।

রাজকুমার শেখ ভরপুর পুজোর গন্ধ। সরস্বতী পূজা। গ্রাম বাংলাতে মাইকে বাংলা গান। মাটির উঠানে আলপনা। গাঁদাফুল। হালকা শীতের আমেজ। কি না ভালো লাগা। আজও আলমুনের

আনোয়ারুল হক যমুনা ফিউচার পার্কের দক্ষিণ দিকের পকেট গেট দিয়ে বের হয়েছে সে। পঁচিশ থেকে বয়স তিরিশের এক উদভ্রান্ত যুবক। যারা ওর পরিচিত, নিয়মিত একসঙ্গে

বাঙলায়ন: জ্যোতির্ময় নন্দী [ উর্দু কথাসাহিত্যে কুররাতুলাইন হায়দার সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি। তাঁর অমর কীর্তি ‘আগ কা দরিয়া’ এবং আত্মজীবনীমূলক আখ্যান ‘কারে জহান দারাজ হ্যায়’

সাইয়িদ মাহমুদ তসলিম বিশ্বের সব বিশ্ববিদ্যালয় একক হৃদস্পন্দন দিয়ে কান্না করেছে বাংলাদেশি মেধাবী দুই শিক্ষার্থীর জন্য । এ যেন এক বিরল ঘটনা । বিশ্বের এমন

বাবুল সিদ্দিক সত্যজিৎ রায় তার ‘ কাঞ্চনজঙ্ঘা ‘ সিনেমার একটি দৃশ্যের জন্য একটি বিশেষ নামের পাখি খুঁজছিলেন। এক বৃদ্ধ এসে সত্যজিৎ রায়কে বললেল, “ আপনি

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো