
অধিকারী
মাইনুল তোহা কুয়াশার চাদরে মোড়া শীতের সকাল। শেষরাতে সবাই জেগে উঠেছে, আগেই সাবধান করা হয়েছিল। লিয়ার মা বুড়ির অনুমান ভুল হয় না, অবয়ব দেখে বলে

মাইনুল তোহা কুয়াশার চাদরে মোড়া শীতের সকাল। শেষরাতে সবাই জেগে উঠেছে, আগেই সাবধান করা হয়েছিল। লিয়ার মা বুড়ির অনুমান ভুল হয় না, অবয়ব দেখে বলে

মো. দিদারুল আলম জাফর চৌধুরী একজন সফল ব্যবসায়ী। নীতি ও সততার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করাই তার আদর্শ। তবে এই সততার কারণে আত্মীয়-স্বজনের অনেকেই তাকে ‘বেকুব’

মনিজা রহমান আকলিমার চোখে গভীর অন্ধকারের ছায়া যেন স্থায়ীভাবে আঁকা হয়ে গেছে। প্রতিরাতে ঘুমাতে যাবার আগে মনে হয় ওর সারা শরীর একটি অদৃশ্য চাপের

সুজন বড়ুয়া মোবাইল ফোন বেজে ওঠার শব্দে হঠাৎ সংবিৎ ফিরে পেলেন কাকলি হালদার। এতক্ষণ যেন এক গভীর ঘোরের মধ্যে ডুবে ছিলেন তিনি। কোন অচেতন

রফিকুর রশীদ মাঠের চাষাকে বৈশাখ চেনাবে কে? নেকাব্বর আলী আপদমস্তক মেঠো চাষি। মাঠে মাঠে চাষ করে, তাই তাকে চাষি বলাই ঠিক। বাংলাদেশের সবুজ শ্যামল

জাকিয়া শিমু কালা সামছু চণ্ডরোগী! অতিসহজে তার রাগ ধরে যায়! দেখা যায় সাধারণ কোনো ঘটনায় সে দঙ্গল বাঁধিয়ে বসে! আজকে অবশ্য তার মন তেতিয়ে

ভাষান্তার : জ্যোতির্ময় নন্দী লেখক পরিচিতি ইউসুফ ইদ্রিস ছিলেন মিশরের একজন অগ্রণী কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার। তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত মিশরীয় জীবনের বাস্তবচিত্র তুলে ধরা

মুজিব রাহমান ওড়ার আনন্দে পাখি শূন্যে দিকে দিকে বিনা অক্ষরের বাণী যায় লিখে লিখে… বীজ ছড়িয়ে যে পাখিরা বন গড়ে তোলে, প্রকৃতির নীরবতায়

সাফিয়া নুর মোকাররমা “সুখ কিনতে কত লাগবে?”—প্রশ্নটি শুনতে সরল, কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে মানুষের গভীরতম আর্তি| আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় আমরা প্রায়ই ভাবি, সুখ যেন

সৈয়দা মাসুদা বনি কুয়াশায় দুহাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না এমনই অবস্থা| বাসটা যে কিভাবে আগাচ্ছে!! একটা স্টপেজে বাসটা থামবার পর একজন লোক উঠল

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো