
হাফিজ রশিদ খান-এর গুচ্ছ কবিতা
নারীস্থান নেতৃত্বের গুণাবলি সম্পন্ন মেয়েরা তোমাদের দৃষ্টির চিরুনি অভিযানে আমি যেন শিশু বনে যাই যদিও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে রজতজয়ন্তী পার হওয়া আমার ভান্ডারে আছে যশ

নারীস্থান নেতৃত্বের গুণাবলি সম্পন্ন মেয়েরা তোমাদের দৃষ্টির চিরুনি অভিযানে আমি যেন শিশু বনে যাই যদিও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে রজতজয়ন্তী পার হওয়া আমার ভান্ডারে আছে যশ

ফসল তোলার গান রজব বকশী কঠিন মাটির বুকে হালচাষ দাও বীজমন্ত্র বুনে আসো। কিংবা রুয়ে দাও কঁচি চারাগাছ তারপর প্রাণবন্ত সবুজের ঢেউ। আগাছা নিড়ানি

প্রার্থনাঃ ক্ষয় কতোটা শিশির মাড়িয়ে একটি সূর্যের বেড়ে ওঠা কতোটা অন্ধকার শুষে নিয়ে একটি চাঁদের জন্ম কতোটা গাঢ় হলে একটি রাত সার্থক হয়ে ওঠে

ক. ট্রেন মেইন স্ট্রিট সাবওয়ে দৌঁড়ে নামলাম স্ক্যালেটরে পাতাল ট্রেনটির সাথে দেখা হলো কয়েক সেকেন্ড, মহিলা ড্রাইভার মুচকি মুখে হাত নাড়িয়ে দরজা বন্ধ করে দ্রুত

অর্জন গর্জন বর্জন গায়ের শালে লাগিয়ে আগুন ঝরিয়ে দিলেন ঘাম, স্বর্ণাক্ষরে থাকবে লেখা ইতিহাসে নাম! পরাজিত পাকিস্তানও যা’ করেনি আজও, রিজভী ভাইয়ে দিলেন

১. পরে আছি অনেক পিছে তোমার সাথে পাল্লা দিয়ে অন্ধকারে ছুটছি মিছে পাচ্ছি না যে আলোর রেখা দীপটি হাতে বহু দূরে সটকে গেছো তুমি

কথার ঝিনুক নিলয় রফিক চাঁদের শরীর ঢাকা শব্দের চাদরে মুখের নজরে ঠোঁটে গিলাফ-তিলক আলোর মুগ্ধতা প্রেমে ইতিবৃত্তে তীরে গল্পেই শুরু প্রমত্ত সমুদ্রে-পলক। শিল্পের

ঐতিহ্য ও গৌরব নদী শুকিয়ে গেলে ক্ষীণধারা বহন করে তার ঐতিহ্য- ইতিহাস মরে গেছে ঘাঘর নদী, কপোতাক্ষ, ধানসিঁড়ি বিজয়গুপ্ত মাইকেল জীবনানন্দ বেঁচে আছে বলেই

কবরের কাছে এলে আব্বার কবরের সামনে গেলে কেমন মাটি মাটি ভাব জেগে ওঠে। আব্বা শুয়ে আছে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। তার পাশে

মোড়লপনাকে ঘৃণা অরুণ শীল পুরস্কার নিয়ে কত তেলবাজি এবং মোড়লপনা যে মানে মানুক আমরা কাউকে মোড়ল মানবো না কারা ভালো লেখে, কার কী কী

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি