
আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য
১ পথের বাঁকে বাঁকে দাড়িয়ে নিশ্চুপ এক একটি মুখ কতো শত রূপ পথ চিনিনি এগিয়ে যাবার রকমারি মানুষ যাই চিনে পুরো তিনশ পয়ষট্টি দিনে

১ পথের বাঁকে বাঁকে দাড়িয়ে নিশ্চুপ এক একটি মুখ কতো শত রূপ পথ চিনিনি এগিয়ে যাবার রকমারি মানুষ যাই চিনে পুরো তিনশ পয়ষট্টি দিনে

উদাসী বায় বাউল মন সদাই পলাতক সুদূরে ধায়। সতর্কীকরণ সামলে চলো উচিত-অনুচিত জীবন পথে। জয়তু আত্মজা তুমি সম্মুখ আহবানে নির্ভীক চলা।

সোনালু ফুলের রেণু ১২. সব শ্মশানের জন্ম হয় নদীর কিনারায় শ্মশানে আগুন জ্বললে পাখিরা দুঃখ পায় নদীজলে ভেসে যায় পোড়া মানুষের ছাই শববাহকের দলে

অস্থির পৃথিবীর মুখোমুখি অস্থির সময় অস্থির পৃথিবী এ কী দেখি– হাজার বছরের সভ্যতা চোখের নিমিষেই ধ্বংসস্তূপে– রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রের অন্দরে হানাহানি যুদ্ধ-বিগ্রহ চলছে রক্তের

খাতুনে জান্নাত নাই হয়ে আছি নীরালোকে দিব্যরথ ওজন বর্জিত মহাশূন্যতায় একতারা দোতারারা মন্দাচ্ছন্ন রাতে ঝাঁপতাল নৈঃশব্দের বিলে হাবুডুবু অস্ফুট আশা-ধ্বনি ধ্বনিগুলো কুড়িয়ে কুড়িয়ে বাঁচি

নূরুল হক ১ লিখেছি ঘুমের পদ্য। ঘুম নিয়ে চোখে অদৃশ্য জগতে তুমি অদেখা বালিকা আকারে ইঙ্গিতে আর আধাঁরে আলোক জ্বালো তুমি অনন্তর রজতের শিখা।

ভূমিকা ও ভাষান্তর: শাহেদ কায়েস পারনিয়া আব্বাসি ২০০২ সালে তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন তরুণ ইরানি কবি ও ইংরেজি ভাষার শিক্ষিকা ছিলেন। পারনিয়া ২০২৫

শামীম নওরোজ সোনালু ফুলের রেণু ০৯. তোমার সামনে সবুজ গোলাপ আছে তোমার ভেতর রঙিন ফানুস ওড়ে আমার সামনে সফেদ জবারা নাচে আমার ভেতর কল্পিত

১. কলি হইতে পুষ্প ফুটিল কাননে সাথে পাখিরা উঠিল ডাকিয়া উপহার পাইলাম নতুন একটা প্রভাত রবি দিল আলো হাসিয়া ধরনীর বুকে প্রাণ প্রকৃতি উঠিল আবার

১. তুমি কি স্বপনে শুনেছো ডাক অহংকারের ভূষণ খুলে এলে এক কাপড়ে, পৃথিবী ভীষণ অবাক! ভালোলাগা ভীড় করে এসে এলোমেলো স্বর্ণালি কেশে কুয়াশায় পৃথিবীটা

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি